Tuesday, May 24, 2022

how to earn money from home ?- Grab.TC is the best earning site from home

 Grab.tc is a PTC website that lets anyone like you and me perform simple tasks to collect bitcoin. Such as visiting the website, clicking on the ad, watching the video, etc.

 Sign Up Here to Start Earning



This is a legit site and 100% payee site. It has a really nice, intuitive design, it's easy to use, because it doesn't overload with ads, and you have a lot of opportunities to earn bitcoin. 

The Options of Earning from Grab.TC:

Faucet | Shortlinks | PTC Ads | Serveys | Offerwalls | Activity Rewards | Contests | Lottery and more!


>Claim up to 0.0125 BTC every hour.
> Earn up to 50 Satoshi by visiting shortlinks.
> Earn huge rewards by completing offers.
> Earn up to 105 Satoshi by visiting websites at PTC ad section.
>Get lifetime commissions of up to 25% every time your referrals claim!
> Complete tasks and earn levels. Every level you reach, your rewards get bigger, up to x3.75!
> Weekly and monthly Referral Contests, Offerwalls Contests and Shortlinks Contests

> Lottery: Win a big prize in our weekly lottery! Each ticket costs only 10 Satoshis!
> CPU Mining: [Optional] You can earn more by offering your CPU power. You can choose how  
    much of you CPU power to be used for mining.
> Achievements: Claim free Bits for being active, do offerwalls, visit shortlinks, get referrals and 
   claim faucets to get more free Bits
>Jobs: We have so many jobs, you can do them very easily and earn thousands of satoshis.
> Investment Game: Guess if Bitcoin's price will go higher or lower in the next 5 minutes and  
   multiply your Bits. This game is 100% legit! 





Saturday, July 25, 2015

ফ্রিল্যান্সিং এবং ইন্টারনেটে আয়ের বাংলা বই (pdf)

বাংলা-টিউটর সাইটে ফ্রিল্যান্সিং এবং ইন্টারনেটে আয় বিষয়ক পোষ্ট জমা হয়েছে ৭৫০ এর বেশি। এগুলি ক্রমানুসারে সাজানো নেই বলে অনেকের সমস্যা হয়। এই সমস্যা দুর করার জন্য বাছাই করা পোষ্টগুলি একসাথে করে ই-বুক তৈরী করা হয়েছে।
ফ্রিল্যান্সিং এবং ইন্টারনেটে আয় বিষয়ক প্রায় সমস্ত তথ্যই এখানে পাবেন। ডাউনলোড করে নিন নিচের লিংক থেকে। বইতে বিজয় ট্রুটাইপ ফন্ট ব্যবহার করা হয়েছে। ফন্ট বিষয়ক সমস্যা পেলে ফন্ট ইনষ্টল করে নিন।

আপনার মত জানাতে পারেন মন্তব্য লিখে।

Sunday, May 31, 2015

ইন্টারনেটে আয় করুন ই-বে এর মাধ্যমে

ই-বে ইন্টারনেটে নিলামে জিনিষপত্র বিক্রি করে। কোন একটি জিনিষের বর্ননা এবং শুরুর দাম উল্লেখ করা থাকে, এরপর ক্রেতারা কে কত টাকায় কিনতে চান সেটা জানান। নিলামের নিয়ম অনুযায়ী যিনি বেশি দাম দিতে আগ্রহি তিনি কেনার সুযোগ পান। এই ব্যবস্থা অত্যন্ত জনপ্রিয় কারন অনেকেই এই পদ্ধতিতে খুব কমদামে কেনার সুযোগ পান।
আপনি এই ব্যবস্থায় অংশ নিয়ে আয় করতে পারেন। কোন জিনিষ, কত দামে বিক্রি হবে এসব নিয়ে আপনার মাথা ঘামানোর প্রয়োজন নেই। আপনার পছন্দমত জিনিষের লিষ্ট আপনার সাইটে রাখবেন। ক্রেতা সেখানে ক্লিক করে নিলামে অংশ নেবেন। বিক্রি হলে আপনি কমিশন পাবেন।
কাজের জন্য আপনাকে যা করতে হবে;
.          তাদের সাইটে গিয়ে (register) ফরম পুরন করে আবেদন করুন। এখানে নাম-ঠিকানা, টেলিফোন, ইমেইল ইত্যাদি তথ্য দিতে হয়।
.          আপনার ইমেইলে তারা লগিন নেম-পাশওয়ার্ড ইত্যাদি পাঠাবে। সেইসাথে ট্রাকিং কোড পাবেন। এটা ব্যবহার করে আপনি জানার সুযোগ পাবেন কোন পন্যের চাহিদা কেমন।
.          তাদের সাইটে লগ-ইন করে পন্য পছন্দ করুন। সেটার জন্য কোড কপি করে আপনার সাইটে পেষ্ট করুন।
.          প্রচারের ব্যবস্থা করুন।
এজন্য আপনার একটি জনপ্রিয় সাইট প্রয়োজন। সেখানে ভিজিটর যত বেশি আপনার পন্য বিক্রি এবং আয়ের সুযোগ তত বেশি। প্রচারের জন্য তাদের রয়েছে টেক্সট লিংক, ব্যানার ইত্যাদি। যদি ফটোগ্রাফি বিষয়ক সাইট হয় তাহলে ক্যামেরা জাতিয় পন্য বিক্রি করতে পারেন খুব সহজে। আপনার মুল কাজ হচ্ছে ক্রেতাকে আপনার সাইট থেকে তাদের সাইটে পাঠানো।
ইন্টারনেটে যেহেতু ভৌগলিক সীমারেখা নেই, ক্রেতা হতে পারেন আমেরিকা, কানাডা বা পশ্চিমা বিশ্বের যে কেউ। ইন্টারনেটে কেনাকাটার ক্ষেত্রে তারাই যে এগিয়ে সেকথা নিশ্চয়ই বলে দেয়ার প্রয়োজন নেই।

ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জনের ৫টি সেরা পথ, Internet earning

ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জনের বহু উপায় রয়েছে। এই সাইটে প্রায় সবগুলি নিয়েই আলোচনা করা হয়েছে। অনেকেই দ্বিধায় পড়েন, কোনটি করবেন কোনটি করবেন না এই নিয়ে। সেইসাথে বাংলাদেশের জন্য স্থানীয় কিছু সমস্যা তো রয়েছেই। অনেক সহজ কাজও জটিল কিংবা অসম্ভব হয়ে দাড়ায় অনেকের কাছে।
ইন্টারনেট ব্যবহার করে অর্থ উপার্জনের সুবিধা-অসুবিধা অনুযায়ী ৫টি পদ্ধতির তুলনামুলক চিত্র তুলে ধরা হচ্ছে এই লেখায়।


১. গুগল এডসেন্স
গুগল এডসেন্স সবচেয়ে সেরা উপায় এতে আপত্তি করবেন না কেউই। প্রোগ্রামিং বা এইধরনের কোন ক্ষেত্রে বিশেষ দক্ষতা না থেকেও, নিজে কিছু বিক্রি না করেও মাসে কয়েক হাজার ডলার আয় করা যায়। এমনকি গুগলের ব্লগার ব্যবহার করে কোনরকম খরচ ছাড়াই। প্রয়োজন শুধু সময় ব্যয় করা এবং চারিদিকে দৃষ্টি রেখে নিজের ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনার ব্যবস্থা করা।
ভাল ফল পাওয়ার জন্য আপনার প্রয়োজন এমন ওয়েবসাইট যেখানে প্রচুর ভিজিটর ভিজিট করবেন। এধরনের ওয়েবসাইট তৈরী এবং ভিজিটর পেতে কয়েক মাস থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। দৈনিক অন্তত ১ হাজার ভিজিটর না পেলে খুব বেশি আয়ের সম্ভাবনা কম।
গুগল এডসেন্স এর মত আরেকটি ব্যবস্থা রয়েছে চিতিকা (chitika) নামে। ব্যবহারের পদ্ধতি এডসেন্স এর মতই।

২. এফিলিয়েটেড মার্কেটিং
অনেকে বলেন এফিলিটেড মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে সীমা হচ্ছে আকাশ। আপনি যত চেষ্টা করবেন তত বেশি আয় করবেন। আপনার কাজ হচ্ছে ইন্টারনেটে যারা কিছু বিক্রি করে (পন্য বা সেবা) তাদের প্রচার করা। নিজের ওয়েবসাইট থাকলে সুবিধে বেশি, না থাকলেও অন্যভাবে করা যায়। কোন কোন কোম্পানী টাকা দেয় তাদের সাইটে ভিজিটর পাঠানেই, কোন কোম্পানী দেয় সেই ভিজিটর কিছু কিনলে। ৭৫% পর্যন্ত কমিশন দেয়ার মত কোম্পানী/বিষয়ও রয়েছে। আমাজন, ই-বে এর মত প্রতিস্ঠানের সহযোগিতা পাওয়া যায় এফিলিয়েটেড মার্কেটিং কাজে।
এফিলিয়েটেড মার্কেটিং এর জন্য নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকলে বেশি সুবিধে পাবেন। শুধুমাত্র এই কাজের জন্যই বিনামুল্যে ওয়েবসাইট তৈরী, সেখানে বিভিন্ন পন্য যোগ করার ব্যবস্থা রয়েছে। যদিও এই ব্যবস্থায় আয় বেশি তারপরও এডসেন্সর এর পর ২য় অবস্থানে থাকার কারন একাজে বুদ্ধিমত্তা, মার্কেটিং এর দক্ষতা এবং পরিশ্রম বেশি।

৩. ফ্রিল্যান্সিং 
আপনি ওয়েবসাইট তৈরী কিংবা মার্কেটিং এর ঝামেলায় যেতে চান না, অথচ কম্পিউটারের কোন কাজে দক্ষ। সেটা ফটোশপ ব্যবহার করে গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন থেকে শুরু করে, প্রোগ্রামিং থেকে ডাটা এন্ট্রি, ভিডিও এডিটিং কিংবা এনিমেশন যে কোন কিছুই হতে পারে। তাহলে আপনার জন্য ফ্রিল্যান্সিং। কাজ দেয়ার ক্ষেত্রে মধ্যস্থতা করার জন্য রয়েছে অনেকগুলি প্রতিস্ঠান। সেখানে নিজের নাম তালিকাভুক্ত করবেন (কোন খরচ নেই), তাদের কাজের তালিকা দেখে এপ্লাই করবেন, তারা আপনার দক্ষতায় সন্তুষ্ট হলে কাজের অনুমতি দেবে। আপনি কাজ করে জমা দেবেন এবং আপনার একাউন্টে সেই কাজের পারিশ্রমিক জমা হবে।
ফ্রিলান্সিং কাজে পেমেন্ট দেয়া হয় ঘন্টাপ্রতি অথবা নির্দিষ্ট কাজ অনুযায়ী এককালীন চুক্তি অনুযায়ী। কাজের জটিলতা অনুযায়ী কয়েক ডলার থেকে কয়েক হাজার ডলার পর্যন্ত হতে পারে এই চুক্তি। মধ্যস্থতাকারী থাকে বলে টাকা হাতছাড়া হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
www.freelancer.com , www.odesk.com  ইত্যাদি এধরনের কাজে বড় প্রতিস্ঠান।

৪. নিজে বিক্রি করা
নিজে বিক্রি করলে লাভ বেশি, সেইসাথে পরিশ্রমও বেশি। সেকারনে লাভ বেশি থাকার পরও একে ৪ নম্বরে রাখতে হচ্ছে।
আপনি কিছু পন্য ঠিক করবেন, সেগুলি তৈরী করবেন অথবা অন্যের কাছ থেকে কিনবেন, এরপর ওয়েবসাইটে রেখে দেবেন। যিনি কিনতে চান তিনি সেখানে ক্লিক করে কিনবেন, আপনি সেটা তারকাছে পাঠিয়ে দেবেন। ফটোগ্রাফ, ই-বুক, সফটঅয়্যার এর মত পন্য সরাসরি ইমেইল করে পাঠাতে পারেন কিংবা ডাউনলোডের ব্যবস্থা রাখতে পারেন। ছাপা বই বা অন্য পন্য হলে পার্সেল করে পাঠাতে হবে। সারা বিশ্বের মানুষই কেনাকাটা করে অনলাইনে। কাজেই এই মুহুর্তে বাংলাদেশের মত দেশে বিষয়টি চালু না থাকলেও একসময় হবে।

৫. অনলাইন বিজ্ঞাপন
জনপ্রিয় ওয়েবসাইটে এডসেন্স এর মত বিজ্ঞাপন রাখতে হবে এমন কথা নেই, ছাপানো পত্রিকায় যেমন বিজ্ঞাপন দেয়া হয় সেভাবে বিজ্ঞাপন প্রচার করে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। আমেরিকায় ছাপানো বিজ্ঞাপনের আয়কে ছাড়িয়ে গেছে অনলাইন বিজ্ঞাপন।
মুলত পত্রিকার মত সাইটের জন্য এই ব্যবস্থা সুবিধেজনক। একাজে সমস্যা হচ্ছে ব্যক্তিগতভাবে করা যায় না, প্রতিস্ঠান হিসেবে কাজ করতে হয়। তবে সেটা সংবাদপত্র হতে হবে এমন কথা নেই। মানুষের আগ্রহ রয়েছে এমন বিষয় নিয়ে ওয়েবসাইট হতে পারে। যেমন বিভিন্ন পণ্যের পরিচিতি এবং দাম নিয়ে যেমন মানুষের আগ্রহ সেই বিষয় নিয়েই অনেকগুলি বিশ্বখ্যাত ওয়েবসাইট রয়েছে। চাকরী বা অন্য তথ্য নিয়ে সাইটও লক্ষ লক্ষ ভিজিটর পেতে পারে।

ইমেইল মার্কেটিং করে আয় করুন

নিজের বাড়িতে বসে ইন্টারনেট ব্যবহার করে আয়ের শতশথ পথ রয়েছে। আপনি তথ্য বিক্রি করতে পারেন, অন্যের জিনিষ ই-বে এর মাধ্যমে বেক্রি করতে পারেন, অন্যের ওয়েবসাইট তৈরী করে দিতে পারেন, অন্যের প্রচারের ব্যবস্থা করতে পারেন। বিক্রির জন্য আপনার নিজের কিছু তৈরী করা প্রয়োজন নেই। তথ্যকে ক্রেতার সামনে তুলে ধরবেন, তিনি অনলাইনে কিনলে আপনি কমিশন পাবেন সেই পন্যের মালিকের কাছ থেকে।
সাধারনত তিনভাবে আপনি এধরনের আয় করতে পারেন, কোন ব্যক্তি যখন কিছু কেনে (Pay per sale), কোন ব্যক্তি যখন ফরম পুরন করে (Pay per lead) এবং কোন ব্যক্তি যখন লিংকে ক্লিক করে (Pay per click). এই ৩টির মধ্যে প্রথমটিতে সবচেয়ে বেশি অর্থ পাওয়া যায় এবং সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। আর শেষেরটিতে আয় কম এবং জালিয়াতি হয় বলে জনপ্রিয়তাও কম।
প্রতিটি বিক্রির জন্য কমিশনকে আরেকটু পরিবর্তিত করে মাসিক অর্থ প্রদানের ব্যবস্থা রয়েছে অনেকের। এটা করার পেছনে কারনও রয়েছে। একজন ক্রেতা একবার কিছু কিনে পরবর্তীতে অন্য যায়গায় যোগাযোগ করেন। কাজেই তাদেরকে ধরে রাখার জন্য সময়ভিত্তিক চুক্তি করা হয়। আপনি একজন ক্রেতা ধরে দেবেন তাদের কাছে। সেই ক্রেতার কারনে আপনার সাথে হয়ত ৬ মাসের চুক্তি হল। ৬ মাসে তিনি যাকিছু কিনবেন তারজন্য কমিশন পাবেন আপনি। কাজটি সহজ না অবশ্যই। অনেকদিন ধৈর্য্য ধরে চেষ্টা করে যেতে হয়। প্রচারনার জন্য নানারকম পদ্ধতি ব্যবহার করতে হয়। যারা এধরনের ব্যবসার সাথে জড়িত তারা একাজে সবধরনের পরামর্শ-সহযোগিতা দেন।
এখানে স্বাভাবিক প্রশ্ন হতে পারে, কোথায় যোগাযোগ করবেন ?
আপনি বিনামুল্যের সেবার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন। বাস্তবতা হচ্ছে, যদি বিনামুল্যের কোন সেবা থেকে ভাল ফল পাওয়া যায় খুব দ্রুতই এত বেশি মানুষ সেটা ব্যবহার শুরু করবে যে সেই ব্যবসা আর লাভজনক থাকবে না। কাজেই একে ব্যবসা হিসেবে ধরে নিয়ে কিছু অর্থ দেয়ার বিষয় চলে আসে। কাজেই সত্যিকারের পথ হচ্ছে কোন এফিলিয়েট নেটওয়ার্কের সদস্য হওয়া।
মার্কেটিং কিভাবে করবেন সেটা আগে দেখে নেয়া যাক। আপনি নিশ্চয়ই বিভিন্ন সময় ইমেইল এড্রেস চুরির খবর শুনেছেন। হ্যাকাররা লক্ষ লক্ষ ইমেইল এড্রেস চুরি করে কারন সেটা লাভজনক। এই ঠিকানায় তারা নানাধরনের মেইল (স্প্যাম) পাঠায়। স্প্যাম পাঠানো অবৈধ, কিন্তু যদি বৈধ মেইল পাঠানো হয় তাহলে কারো আপত্তি থাকতে পারে না। আবার ইমেইল এড্রেস চুরি করাও অবৈধ, কিন্তু বৈধভাবে যদি পাওয়া যায় তাতেও আপত্তির কারন নেই।
এই দুটি বিষয়কে একসাথে করে ইমেইল মার্কেটিং। ধরুন আপনি কোন একটি বিষয়ে নিউজলেটার দেয়ার জন্য ভিজিটরকে ফরম পুরন করতে বললেন। যিনি নিজের নাম লেখালেন তিনি সম্মতি দিচ্ছেন তারকাছে আপনি তার পছন্দের কোন বিষয়ে লেখা পাঠাবেন। সেই লেখার সাথে প্রচারের ব্যবস্থা যোগ করে দিলেন। যদি লক্ষ্য করেন দেখবেন ইন্টারনেটে যে নিউজলেটারগুলি দেয়া হয় তারসাথে বিজ্ঞাপন রয়েছে।
কাজেই আপনি যা করতে পারেন,
.          নিজের পছন্দের বিষয় ঠিক করা।
.          কোন এফিলিয়েটেড নেটওয়ার্কের সাথে যোগাযোগ করা।
.          নিজের ওয়েবসাইট তৈরী করা এবং সেখান থেকে বিনামুল্যে নিউজলেটার, আর্টিকেল ইত্যাদি ইমেইলের মাধ্যমে দেয়ার ব্যবস্থা করা।
.          বিজ্ঞাপন তৈরী করা এবং সেগুলি প্রচার করা
.          সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে সাইটের প্রচার বাড়ানো

একে ব্যবসা হিসেবে ধরে নিয়ে কয়েক মাসের চেষ্টায় মাসে কয়েক হাজার ডলার আয় করার উদাহরন বহু রয়েছে।

সবশেষ কথা, কোন নেটওয়ার্কের সদস্য হবেন।
নির্দিষ্ট করে কারো নাম উল্লেখ করা অনুচিত। Affiliate Marketing লিখে সার্চ করুন, এধরনের বহু এফিলিয়েট মার্কেটিং নেটওয়ার্কের সাইট পাওয়া যাবে। সেই নেটওয়ার্কের সবকিছু জানার চেষ্টা করুন। সত্যিকার কাজের প্রতিস্ঠান এবং ভুয়া প্রতিস্ঠান এর পার্থক্য নিশ্চয়ই বোঝা যায়। আপাতত এদুটি সাইট দেখতে পারেন;
  

ইমেইল মার্কেটিং এর জন্য সাইট তৈরী, নিউজলেটার তৈরী, বিজ্ঞাপন তৈরী ইত্যাদি কাজের ধাপ নিয়ে আগামীতে লেখা হবে। একাজের প্রথম ধাপ যেহেতু ইমেইল এড্রেস সংগ্রহ করা এবং কাজটি সময়সাপেক্ষ, আপাতত সেদিকে দৃষ্টি দিতে পারেন। এজন্য আপনার প্রয়োজন হবে এক্সেল এর মত কোন সফটঅয়্যার (ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্টের জন্য)।
প্রশ্ন করতেই পারেন ইমেইল মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবেন।
মুল আয় যেহেতু এফিলিয়েশন থেকে কাজেই যে কোম্পানীর এফিলিয়েশন করতে চান তাদের নিয়মগুলি দেখুন। অনেকেরই শর্ত হিসেবে যথেস্ষ্ঠ ভিজিটরসমৃদ্ধ নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকা প্রয়োজন। এখনো না থাকলে ওয়েবসাইট/ব্লগ তৈরী করুন, ভিজিটর বাড়ানোর চেষ্টা করুন। এফিলিয়েশন নিন। এফিলিয়েশন কোড সহ প্রচারের ব্যবস্থা করুন। 
গাছ লাগিয়ে সাথেসাথে ফল পাওয়ার আশা করবেন না। অন্যান্য সাইট দেখে শিক্ষা নিন।

অন্যের তৈরী সাইট থেকে উপার্জন

ওয়েবসাইট থেকে আয় আসে নানাভাবে। সরাসরি সেখানে কেউ বিজ্ঞাপন দিতে পারেন যা থেকে আপনি অর্থ পাবেন। অথবা এডসেন্স, পে-পার-ক্লিক থেকে শুরু করে যত ধরনের পদ্ধতি রয়েছে সবকিছু থেকেই আয় করা যায়। সেজন্য প্রয়োজন এমন ওয়েবসাইট যেখানে প্রচুর পরিমান ভিজিটর রয়েছে। ভিজিটর যত বেশি আয় তত বেশি।  আর এধরনের সাইট তৈরী করতে প্রয়োজন সময়, মেধা, শ্রম।
নিজে ওয়েবসাইট তৈরী করতে যে সময়, শ্রম প্রয়োজন সেটা না করে অন্য কেউ সময় এবং শ্রম ব্যয়ে যাকিছু করেছে সেখান থেকে আয় করতে চান ? সেটাও সম্ভব।
বিষয়টি খুব সহজ। অন্য কেউ এমন সাইট তৈরী করার পর যদি সেটা বিক্রি করতে চায় সেটা কিনে ফেলুন। অর্থাত আপনি অর্থের বিনিময়ে অন্যের শ্রম এবং সময় কিনছেন। বিষয়টি অস্বাভাবিক মনে করার কিছুই নেই, কার শ্রম এবং সময়কে অর্থে হিসেব করা যায়।
Adsense sites লিখে সার্চ করুন। ই-বে এজন্য খুব ভাল যায়গা। এমন সাইট পেতে পারেন যেখানে যথেস্ট ভিজিটর রয়েছে এবং সেখানে রীতিমত এডসেন্স থেকে আয় হচ্ছে। সাইট যত উন্নত তার দাম তত বেশি হবে এটাই স্বাভাবিক।
অন্যের সাইট কিনলে আপনি যে সুবিধেগুলি পাবেন তা হচ্ছে, সাইট ডিজাইন তৈরীর জন্য ভাবতে হচ্ছে না। সেইসাথে সেখানে যাকিছু আপলোড করা হয়েছে সেগুলির মালিকানা হাতে পাওয়া।
আবার বিপরীত চিন্তাও করতে পারেন। আপনি যে সাইট তৈরী করেছেন, যেখানে হয়ত দুবছর পর সাফল্য পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সেই সাইট বিক্রি করে একবারে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে ইন্টারনেট থেকে আয় করার পদ্ধতি

এফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইট ব্যবহার করে অন্য কোম্পানীর ওয়েবসাইটের প্রচার করা এবং বিনিময়ে কমিশন পাওয়া। এই কমিশনের পদ্ধতি বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। সবচেয়ে সাধারন পদ্ধতি হচ্ছে আপনার ওয়েব সাইট থেকে বিজ্ঞাপন দেখে যদি কেউ সেই পন্য কেনে তাহলে। যেমন ধরুন আপনার সাইটে বইয়ের তথ্যের সাথে আমাজনের লিংক রয়েছে। যদি কোন ভিজিটর সেই লিংকে ক্লিক করে আমাজনে যায় এবং সেই পণ্য কেনে তাহলে আপনি বিক্রির ওপর কমিশন পাবেন। আপনি নিশ্চয়ই জানেন আমাজন বিক্রি করে না এমন কোন পন্য নেই।
বিক্রি হওয়া ছাড়াও অন্য ওয়েবসাইটের বিজ্ঞাপন রাখলে সেই লিংকের ওপর ভিজিটর ক্লিক করলে সেকারনেও অর্থ পেতে পারেন। তাদের কাছে এর অর্থ, আপনি তাদের সাইটে ভিজিটর পাঠাচ্ছেন। তাদের ব্যবসায় সহযোগিতা করছেন।
ইন্টারনেটে ব্যবসা করে এমন অধিকাংশ বড় কোম্পানী বিক্রি বাড়ানোর জন্য এফিলিয়েটেড মার্কেটিং পদ্ধতি ব্যবহার করে। যদিও তারা এবিষয়ে সরাসরি প্রচার করে না। সাধারনভাবে তাদের ওয়েবসাইটের নিচের দিকে এবিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়। সেখানে Affiliate Program, Affiliates অথবা এধরনের কিছু লেখা থাকে। সেখানে ক্লিক করে এফিলিয়েট রেজিষ্ট্রেশন পেজ পাওয়া যাবে। যেমন উদাহরনের ছবিতে বিশ্বখ্যাত খুচরা বিক্রেতা bestbuy.com এর সাইটের নিচের অংশ দেখুন।
রেজিষ্টেশন পেজে আপনার নাম, ঠিকানা, ফোন নাম্বার, সাইটের তথ্য ইত্যাদি দেবেন। এগুলি দেয়ার পর তাদের অনুমোদনের জন্য কয়েকদিন অপেক্ষা করতে হতে পারে। প্রায় সব কোম্পানীর এফিলিয়েট প্রোগ্রামের পদ্ধতি মোটামুটি একই।
একটি একটি করে কোম্পানীর এফিলিয়েট প্রোগ্রামে অংশ না নিয়ে এফিলিয়েট নেওয়ার্কেও অংশ নেয়া যায়। এজন্য আপনাকে সেই নেটওয়ার্কের সদস্য হতে হয়, একইভাবে তথ্য দিতে হয়। অনুমোদন হয়ে গেলে আপনি বিভিন্ন কোম্পানীর এফিলিয়েশনের জন্য চেষ্টা করতে পারেন। Commission Junction এধরনের একটি জনপ্রিয় নেটওয়ার্ক।
ইন্টারনেটে আয় করার অন্যান্য পদ্ধতির সাথে এফিলিয়েট মার্কেটিং যোগ করে আয় বাড়াতে পারেন।

সহজে আয়ের জন্য microworkers

ইন্টারনেটে আয় বলতে দুটি পদ্ধতি জনপ্রিয়। একটি ফ্রিল্যান্সিং, ডাটা এন্ট্রি থেকে শুরু করে গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, প্রোগ্রামিং ইত্যাদি। অপরটি ক্লিক করে আয় বা পিটিসি।
প্রথমটির সমস্যা হচ্ছে কাজ পাওয়ার জন্য সারা বিশ্বের অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সাথে প্রতিযোগিতা করতে হয়। শুরুতে বিষয়টি অনেকের কাছে একদিকে বিরক্তিকর অন্যদিকে কঠিন মনে হয়। বিশেষ একটি বিষয়ে নিজেকে দক্ষ হিসেবে তুলে না ধরা পর্যন্ত কাজ পাওয়া যায় না।
পরেরটির সমস্যা হচ্ছে যে কেউ এভাবে আয় করতে পারেন, যদি তাকে আয় বলা যায়। সারামাস চেষ্টা করে হয়ত কয়েক ডলার আয় হতে পারে। কখনো কখনো মনে হয় সেজন্য ইন্টারনেট ব্যবহারের যে খরচ সেটাও পাওয়া যায় না।
এই দুইয়ের মাঝামাঝি ব্যবস্থা হচ্ছে এমন কাজ যা মোটামুটি সবাই করতে পারেন, আয় পিটিসি থেকে বেশি। মাইক্রোওয়ার্কার্স এধরনের কাজের যায়গা। আগে একবার মাইক্রোওয়ার্কার্স সম্পর্কে লেখা হলেও ইন্টারনেটে তাদের সম্পর্কে প্রশংসাসুচক রিভিউ না পাওয়ায় লেখাটি ছিল নেতিবাচক। বাংলা-টিউটর সাইটের একজন নিয়মিত পাঠক এখানে কাজ করে টাকা হাতে পেয়েছেন এবং অন্যদের এই সুযোগ কাজে লাগানোর জন্য আবার লিখতে বলেছেন। মুলত তার আগ্রহেই এই লেখা। যারা পিটিসি ব্যবহার করে বিরক্ত তারা এখান থেকে আরো বেশি আয়ের সুযোগ পেতে পারেন।
মাইক্রোওয়ার্কাস এর সদস্য হওয়ার নিয়ম অন্যান্য ফ্রিল্যান্সিং বা পিটিসি সাইটের মত। তাদের সাইটে নিজের তথ্য দিয়ে ফরম পুরন করে সদস্য হবেন। ঠিকানা হিসেবে ব্যবহারযোগ্য ঠিকানা দেবেন কারন তারা ডাকযোগে একটি কোড পাঠাবে। টাকা উঠানোর সময় সেটা প্রয়োজন হয়। বাংলাদেশে সেটা পেতে মাসখানেক সময় লাগতে পারে। ডাকবিভাগের ওপর নির্ভর করতে না পারলে নিজেই পোষ্টঅফিসে খোজ নেবেন।
সদস্যপদ পাওয়া যায় ফরম পুরন করার সাথেসাথেই। তখনই কাজ শুরু করা যায়। কাজের তালিকায় সেই মুহুর্তে যে কাজগুলি আছে দেখা যাবে। কোন কাজ করে কত পাওয়া যাবে, আনুমানিক কত সময় লাগবে লেখা রয়েছে।  নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য সেখানে ক্লিক করুন। কার্জের বিস্তারিত লেখা পাওয়া যাবে।
কাজ করতে চাইলে সেজন্য দেয়া লিংকে ক্লিক করুন। সেখানে যা-যা করতে বলা হয়েছে করুন। কাজ করার পর নিশ্চিত করতে একটি কোড ব্যবহার করা প্রয়োজন হতে পারে। অর্থাত কাজ শেষ হলে একটি কোড পাবেন। সেটা কপি করে কাজের বর্ননার নিচের নির্দিস্ট যায়গায় কপি করতে হবে।
কয়েকটি কাজের উদাহরন হচ্ছে, কোন সফটঅয়্যার ডাউনলোড করে ইনষ্টল করা, ফেসবুকে নির্দিষ্ট পেজ লাইক করা, কোথাও ভোট দেয়া, টুইটারে কাউকে ফলো করা থেকে শুরু করে রিভিউ লেখা পর্যন্ত। প্রতিটি কাজের জন্য দেয় পরিমান ১ ডলারের মধ্যে। সাধারনত ১০ থেকে ৫০ সেন্ট। পিটিসির তুলনায় যথেষ্ট বেশি। উদাহরনের স্ক্রিনশটে যেমন রয়েছে উইটিউব ভিডিওতে ভোট দেয়ার জন্য ১০ সেন্ট (১ মিনিট), আর ইনসুরেন্স ফরম পুরন করলে ১.৫০ ডলার (৫ মিনিট)।
তাদের পরামর্শ হচ্ছে, কোন কাজে বেশি টাকা পাওয়া সেটা দেখে ক্লিক করবেন না। যে কাজ আপনার পক্ষে করা সম্ভব সেকাজ করুন।
ফেসবুক, টুইটার ইত্যাদি বিষয়ক কাজ নিয়মিত থাকে। কাজেই সেখানে কাজ করার জন্য এদের সদস্য হওয়া প্রয়োজন হতে পারে।
তারা পে-জা (এলার্ট-পে) মাধ্যমে টাকা দেয়। সেখানে একটি কোড ব্যবহার করতে হয় যা ডাকযোগে দেয়া হয়।
দৈনিক ঘন্টাখানেক সময় ব্যয় করে সাধারন খরচের টাকা আয় করতে পারেন। আবারো উল্লেখ করতে হচ্ছে, বাংলাদেশ থেকে একজন কাজ করে সন্তুষ্ট হয়ে এবিষয়ে লিখতে বলেছেন। আপনার উপকার হলে তার ধন্যবাদ প্রাপ্য।

ইন্টারনেটে কাজ করে অর্থ উপার্জন এর জন্য কিভাবে বেশি কাজ পাবেন

আউটসোর্সিং এর জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সাইট ওডেস্ক এর সাম্প্রতিক একটি পরিসংখ্যান দেখুন,
গত ৯০ দিনে তাদের মাধ্যমে কাজ করে মানুষ আয় করেছে ৩ কোটি ৮১ লক্ষ ডলারের বেশি, কাজ জমা পরেছে ৩৬,২৪৩টি, প্রতিটি কাজের জন্য যোগাযোগ করেছে গড়ে ১১.৩ জন।
শেষ সংখ্যাটির দিকে বেশি গুরুত্ব দিন। আপনি সহ ১১ জন হলে বাকি ১০ জনকে প্রতিযোগিতায় পেছনে ফেলে আপনাকে কাজ পেতে হবে। কাজেই আপনাকে দেখাতে হবে আপনি অন্যদের থেকে যোগ্য। কিভাবে সেটা করা সম্ভব দেখে নেয়া যাক।
প্রথম কথা, অবশ্যই দক্ষতা বাড়ানো। যদি গ্রাফিক ডিজাইনকে উদাহরন হিসেবে ধরা যায় তাহলে আপনার প্রয়োজন কাজ ঠিকভাবে করার যোগ্যতা অর্জন করা, ভাল ডিজাইনের বৈশিষ্ট বোঝা, যথেষ্ট পরিমান কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করা। ডিজাইন এমনই একটি বিষয় যে সম্পর্কে প্রত্যেকেরই নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি থাকে। ফলে একজনের কাছে ভাল মনে হলেও আরেকজনের কাছে ভাল নাও মনে হতে পারে। অনেকেই ভুলে যান অধিকাংশ কাজ হয় ব্যাকরনের মত নিয়ম মেনে। রঙ, কম্পোজিশন, ফন্ট, বক্তব্য সবকিছু মিলিয়ে ভালো ডিজাইন। কখনো ভেবে দেখেছেন কি কোকাকোলা, মাইক্রোসফট এর মত বিশ্বের সেরা লোগোগুলি কত সাধারন। ভালভাবে লক্ষ্য করে দেখুন, শুধুমাত্র লেখা দিয়ে তৈরী এই লোগোগুলি তাদের পরিচিতি সার্থকভাবে তুলে ধরে। কাজেই আপনাকে জটিল কিছু করতে হবে এটা ধরে নেবেন না।
মুলকথা হচ্ছে, ডিজাইন সম্পর্কি বহু বইপত্র পাওয়া যায়। সেখানে যে সুত্রগুলি দেয়া হয়েছে ভালভাবে রপ্ত করা।
ধরে নিচ্ছি আপনি সেটা করেছেন কিংবা চেষ্টা করে যাচ্ছেন। আপনার যোগ্যতা অন্যকে দেখাবেন কিভাবে যদি দেখানোর সুযোগ না পান। সে কথাগুলি উল্লেখ করার জন্যই এই লেখা।
আউটসোর্সিং সাইটগুলি বলে প্রথম কাজ পাওয়া সবচেয়ে কঠিন। ওডেস্কের হিসেবে প্রথম কাজ পেতে আপনার ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত চেষ্টা করতে হতে পারে। আরো ভাল ফল পাওয়ার জন্য এই পদ্ধতিগুলি কাজে লাগান,
আপনার করা ভাল কাজগুলি আপনার প্রোফাইলে জমা রাখুন। সেগুলি দেখে যিনি কাজ দেবেন তিনি আপনার কাজ সম্পর্কে আগাম ধারনা পেতে পারেন।
এধরনের সাইটগুলিতে টেষ্ট দেয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। সেগুলি দিন। এতে আপনার রেটিং বাড়বে ফলে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনাও বাড়বে।
পেশাদারিত্বের পরিচয় দিন। যিনি কাজ দেবেন তার প্রথম লক্ষ্য কাজটি সময়মত হবে, দ্বিতীয়ত কাজটি ভালভাবে হবে, তৃতীয়ত কম টাকায় হবে। এর যে কোনটিতে গড়মিল হলে কাজ পাবেন না। আপনার দায়িত্ব তারকাছ থেকে তিনি ঠিক কি চান সেটা জেনে নিয়ে কাজ করা। এমনভাবে যোগাযোগ করা যেন তিনি আপনাকে বিশ্বাস করতে পারেন। যে কাজ ভালভাবে করতে পারবেন না সেকাজে কখনো হাত দেবেন না। এতে নিজেরই ক্ষতি।
শুরুতেই অর্থকে গুরুত্ব দেবেন না। এধরনের সাইটে কাজ দুভাবে দেয়া হয়, কোনটিতে নির্দিষ্ট টাকার পরিমান উল্লেখ করা থাকে, কোনটিতে প্রতিযোগিতামুলক দাম উল্লেখ করে অন্যদের পেছনে ফেলতে হয়। সমস্যা হচ্ছে, আপনি যদি খুব কমদাম চেয়ে বসেন তারা ধরে নেবে আপনি কাজের যোগ্য নন। আর বেশি চাইলে খরচের কারনে কাজ দেবে না। শুরুতে নির্দিষ্ট খরচের কাজে হাত দেয়াই ভাল।
বেশি বেশি কাজের চেষ্টা করুন। যত বেশি চেষ্টা করবেন কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি। সাধারনত বিনামুল্যে একাউন্ট করলে নিদিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট সংখক আবেদন করা যায়। কিছু ফি দিয়ে সদস্য হলে সেই সুযোগ বাড়ে। কাজ করার সিদ্ধান্তই যদি নিয়ে থাকেন তাহলে কিছু ফি নিয়ে সদস্য হোন। কোন কোন সাইটে পরীক্ষা দিয়ে ভাল করলে বেশি আবেদনের সুযোগ পাওয়া যায়। সেই সুযোগ কাজে লাগান।
এধরনের সাইটে নানাধরনের পরামর্শ দেয়া হয়। ফোরামে বিভিন্ন ব্যক্তি তাদের অভিজ্ঞতার কথা জানান। যতটা সম্ভব এগুলি থেকে জানার চেষ্টা করুন।
যত দিন যাবে আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা তত বাড়তে থাকবে।